আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হল বাক্যতত্ত্ব বা Syntax (সিনট্যাক্স)। দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা পাঠ্যসূচিতে বাক্যতত্ত্ব সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেওয়া হয়েছে। নীচের ভিডিওটি দেখলে এই অধ্যায় থেকে যেকোনো শর্ট- এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাবে এবং সমগ্র অধ্যায় সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যাবে।
বাংলা বাক্যতত্ত্ব
সূচিপত্র
ভাষার বৃহত্তম একক হল বাক্য। প্রথাগত ব্যাকরণে আমরা জেনেছি যে গঠনগত দিক থেকে বাক্য তিন প্রকার- ১) সরল বাক্য ২) জটিল বাক্য ৩) যৌগিক বাক্য। বাক্যের এই গঠনগত শ্রেণিবিভাগ বাক্যতত্ত্বের আলোচনার মধ্যে পড়ে।
বাক্যের অব্যবহিত উপাদান
বাক্যতত্ত্বের কাজ হল কীভাবে বাক্য গড়ে উঠে তার ধারাবাহিক আলোচনা করা। লিওনার্দ ব্লুমফিল্ড বলেছিলেন অব্যবহিত উপাদান তত্ত্বের কথা। এই তত্ত্ব অনুসারে একটি বাক্যকে ক্রমাগত ক্ষুদ্রতর স্তরে বিশ্লেষণ করা হয়।
পদগুচ্ছের সংগঠন
বাক্যতত্ত্বের আলোচনায় নোয়াম চমস্কির কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণযোগ্য। তিনি প্রথম পদগুচ্ছ সঙ্গঠনের কথা বলেছিলেন। তাঁর মতে বাক্য আসলে পদগুচ্ছের সংগঠন। বাক্যে নানা রকমের পদগুচ্ছ থাকতে পারে। তবে প্রতিটি বাক্যে কমকরে একটি বিশেষ্যধর্মী পদগুচ্ছ আর একটি ক্রিয়াধর্মী পদগুচ্ছ থাকবেই।
চমস্কি মস্তিষ্ককে বলেছিলেন LAS বা Language Acquisition System বা ভাষা আয়ত্তীকরণ ব্যবস্থা। কথা বলার সময় আমরা যে বাক্য ব্যবহার করি সেগুলি আক্ষরিক অর্থেই মুখের কথা নয়। কথা বলার সঙ্গে মনেরও গভীর যোগ রয়েছে। আমরা মনে মনে কথাটা সাজিয়ে নিয়ে পর মুখে বলি। কথার এই মানসিক স্তরটি হল অধোগঠন, আর কথা বলাটা হল অধিগঠন। এর সঙ্গেই যুক্ত আছে সঞ্জননী-সংবর্তনী ব্যাকরণের ধারণা।
বড় প্রশ্ন (মান-৫)
- বাক্যের বিভিন্ন জোট সম্পর্কে আলোচনা
- অব্যবহিত উপাদান বিশ্লেষণের নীতি
- অব্যবহিত উপাদান বলতে কী বোঝ?
- গঠন অনুসারে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ।
- অব্যবহিত উপাদান তত্ত্ব ও তার সীমাবদ্ধতা
এমসিকিউ টেস্ট
সবশেষে বলি, বাক্যতত্ত্ব ভালোভাবে পড়া হয়ে গেলে এই লিংক থেকে MCQ Mock Test দিতে পারো। এই মক টেস্টটি বিগত বছরগুলিতে যে ধরণের প্রশ্ন এসেছে তেমনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দিয়ে সাজানো হয়েছে। তাহলে নিজেই নিজের পড়া যাচাই করে নাও নিজের দক্ষতা।